কেবল মাথা ছাড়া ঘরের সব জায়গাতেই রাজত্ব চালাচ্ছে চুল। বালিশ, বিছানা, বাথরুম, খাটের নিচ ভর্তি চুলে। এমনকি মাথায় চিরুনি চালালেই গোছা গোছা উঠছে চুল। এমন পরিস্থিতি অনেকেরই পরিচিত। চুল নিয়ে দুশ্চিন্তায় ভুগছেন এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি।
চুল পড়া
চুল পড়া বাড়তে শুরু করলে তা অবশ্যই দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তখন নানা ধরনের তেল-শ্যাম্পু ব্যবহার কিংবা ভেষজ উপায়ে চুলের পরিচর্যা করেও বিফল হতে হয় অনেককে। কারণ, চুলের সমস্যা সব সময় বাইরে থেকে হয় না।
যাদের অকালে মাথার চুল ঝরে যেতে শুরু করে, তারাই শুধু জানেন এর কষ্ট। চুল পড়া বন্ধ করতে আপনিও নিশ্চয় নানার রকম উপদেশ শুনেছেন।
শরতে এই রোদ, আবার এই বৃষ্টি। এই সময়ে আবহাওয়ার কারণে চুল পড়ার হার বেড়ে যায়। দামি প্রসাধনী ব্যবহার করেও কেনোভাবে চুল পড়া রোধ করা যায় না।
গরমকালে প্রায় সবার ঘরে নানা ধরনের সবজির সঙ্গে করলা থাকে। তিতা স্বাদের এই সবজিটি ভাজি বা তরকারি দুইভাবেই খাওয়া হয়। শরীরের জন্য করলা ভীষণ উপকারি। এর স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে কম-বেশি সবাই জানেন।
চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন? চুল পড়ার ঘরোয়া সমাধানের জন্য নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন নিয়মিত।
অনেকের বিশ্বাস গরমকালে চুল বেশি পড়ে। বিশেষজ্ঞরা এর ব্যাখ্যায় বলছেন, গরমে অতিরিক্ত তাপে ঘাম হয়। মাথার ত্বকেও ঘাম হওয়ায় চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়।
চুল পড়ার সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। নারী-পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই এমন হতে পারে। মূলত, অত্যধিক মানসিক চাপ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়ার অভ্যাস, রাসায়নিকের ব্যবহার ও পরিবেশ দূষণের ফলেও মাথার চুল পড়তে শুরু করে।
ভিটামিন ডি সানসাইন ভিটামিন নামেও পরিচিত। শরীর সূর্যালোকের সংস্পর্শে এলেই শরীরে ভিটামিন ডি’র যোগান মেলে। যদিও কিছু খাবার থেকে এটি পাওয়া যায়, তবে এই ভিটামিনের প্রধান উৎস হলো সূর্য।
চুল পড়া রোধে পেঁয়াজের রস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে সেই সঙ্গে রসুনও অনেকটা ম্যাজিকের মতো কাজ করে। এটি শুধু চুল পড়া ঠেকায় না, মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি দূর করতে সহায়ক।